১. মানুষের শরীরে রাসায়নিক দূত হিসেবে
কাজ করে – হরমোন।
২. মেরুরজ্জুর স্নায়ু সংখ্যা – ৩১ জোড়া।
৩. রক্ত শূন্য হলে চুপসে যায় – শিরা।
৪. মানুষের দেহে কিডনি আছে – ২টি।
৫. শ্বসন্তন্ত্রের প্রধান অঙ্গ – ফুসফুস।
৬. মানব দেহে পানির পরিমাণ -৬০-৭০%।
৭. মানুষের লালারসে যে এনজাইম থাকে- আমাইলেজ।
৮. মানুষের মুখগহ্বরে লালাগ্রন্থি – ৩ জোড়া।
৯. দাড়িগোঁফ গজায় যে হরমোনের কারনে--টেস্টোস্
টেরন হরমোন।
১০. শীতকালে চামড়া ফাটার কারন- বাতাসের
আপেক্ষিক আদ্রতা কম থাকে বলে।
১১. জীবন রক্ষা কারী হরমোন – অ্যালডোস্টেরন।
১২. শ্বাশ-প্রশ্বাস কতক্ষন বন্ধ থাকলে মানুষের মৃত্যু হয়- ৩.৫
মিনিট।
১৩. রক্ত সঞ্চালন কতক্ষণ বন্ধ থাকলে মানুষের
মৃত্যু হয় – ৫ মিনিট।
১৪. দেহকোষে কোন ধরণের কোষ বিভাজন দেখা দেয় –
মাইটোসিস।
১৫. স্মৃতি সংরক্ষণ করে মস্তিষ্কের যে অংশ হিপেক্যাম্পাস।
১৬. মানব দেহের মোট কোষের সংখ্যা – ১০।
১৭. ব্ল্যাড ক্যান্সার হয় – রক্তে শ্বেত কণিকা বেড়ে গেলে।
১৮. ইনসুলিনের কাজ হল – রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ
করা।
১৯. রক্তে লোহিত ও শ্বেত কনিকার অনুপাত –
৫০০:১।
২০. মানব দেহের সবচেয়ে দৃঢ় ও দীর্ঘ অস্থি – উরু অস্থি।
২১. শিরা কণ ধরপের রক্ত বহন করে - CO2.
২২. পনির – আমিষ জাতীয় খাদ্য ।
২৩. শিশুদের রিকেটস হয় – ভিটামিন D এর
অভাবে।
২৪. ভিটামিন K কিসে দ্রাব্য? – চর্বিদ্রাব্যে।
২৫. মানুষের দৈহিক ওজনে পানির পরিমাণ-
৫৫-৬৫%।
২৬. মানুষ প্রইয়োজনীয় পানির যে অংশ সরাসরি গ্রহণ করে- দুই
তৃতীয়াংশ।
২৭. প্রতিদিন মানব দেহে থকে পানি নিঃসৃত হয়- ২.৬ লিটার।
২৮. কোন খাদ্যে সব ধরণের খাদ্য উপাদান
বিদ্যমান – দুধে।
২৯. রক্তের PH এর পরিমাণ – ৭.২-৭.৪.
৩০. হিমোগ্লোবিন বিহীন রক্ত কোষ – শ্বেত কণিকা।
৩১. মানব দেহের ছাঁকন যন্ত্র – বৃক্ক/কিডনি।